ওয়েবসাইট ব্যবসা

ওয়েবসাইট তৈরি করার মাধ্যমে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন। একটি ওয়েবসাইটকে সঠিক ভাবে সেট করতে বিশেষ কিছু জিনিসের প্রয়োজন। যেমন একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং এসেছেন ইত্যাদি। চলুন নিচে এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করি

 

ডোমেন: ডমেন হলো একটি নাম। অর্থাৎ আপনি যেই নামে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছেন সেই নামটি কে বলা হয় ডোমেন। মানুষের সহজ ভাবে উচ্চারণ করতে পারে এবং এর স্পেলিং অর্থাৎ বানান সহজ ও বোধগম্য হয় সেদিক বিবেচনা করতে হবে। ডোমেন যত ভালো নামের চয়েজ করবেন আপনার ওয়েবসাইটটি তত বেশি পপুলার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জমিনের অনেক ক্যাটাগরি রয়েছে যেমন ডট কম, ডট নেট, ডট ওআরজি, এক্সওয়াইজেড ইত্যাদি। সবথেকে ভালো ডোমেন হলো .com এবং ডট নেট। কারণ এগুলোতে খুব সহজেই গুগল এডসেন্স পাওয়া যায়। ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য কি ধরনের ডমেন নেবেন সেটা কে প্রথমে বিবেচনা করুন।

ডমেন আপনি আপনার ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে কিন্তে পারেন আবার বিকাশ নগদ বা ডাচ বাংলা কার্ডের মাধ্যমে কিন্তে পারেন। বাংলাদেশি অনেক সাইট রয়েছে যারা ডমেনের রিসেলার। যারা বাংলাদেশি টাকায় ডোমেইন বিক্রি করে থাকে। আপনি বাংলাদেশী সাইট থেকে কিনতে পারেন। পরবর্তীতে এটি অন্য সাইটে টান্সফার করা যায়।

 

হোস্টিং: হোস্টিং হচ্ছে মূলত জায়গা হিসেবে কাজ করে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে মোবাইল ফোন এর মেমোরির মত কাজ করে হোস্টিং। যত বেশি হোস্টিং থাকবে আপনার ওয়েবসাইট ততবেশি ফাস্ট কাজ করবে। হস্টিংয়ের কেনাবেচা আপনার চাহিদা অনুযায়ী করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার যতটুকু হোস্টিং প্রয়োজন এক বছরের জন্য ঠিক ততটুকু কিনতে পারবেন। হোস্টিং এর অনেকগুলো প্রোভাইডার রয়েছে যারা এই মেমোরি ভাড়া দিয়ে থাকে। আপনার ডোমেইন হোস্টিং শাট আপ করতে হয়। ডোমেইন হোস্টিং এর সাথে কানেক্ট পড়ানোর করি আপনার ওয়েবসাইট রেডি হয়ে যায় ব্যবহার করার জন্য। হোস্টিং এ আপনার আপলোডকৃত ফাইলগুলো সংরক্ষিত থাকে এবং যেকোনো সময় প্রয়োজনে আপনি সেটা ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এটি একটি ড্রাইভ এর মত কাজ করে। অর্থাৎ আপনার ফোনে যদি 2gb মেমোরি থাকে তাহলে সে ২gb র বেশি ডাটা সে সংরক্ষন করতে পারবে না ঠিক তেমনি আপনার হোস্টিং যত থাকবে তার বেশি ডাটা আপনি সংরক্ষণ করতে পারবেন না। সুবিধাটা হল এখানে আপনার ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য আপনার ফোন বা পিসিতে কোন লোড পরবে না। আপনি দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে আপনার ডাটা কানেক্ট করতে পারবেন যে কোন ফোন বা কম্পিউটারের মাধ্যমে হোস্টিং থেকে।

 

এস এস এল: এসেছেন মূলত সিকিউরিটির কাজ করে। আপনার নামের পাশে ছোট একটি তালার মতো চিহ্ন থাকে যেটিকে এস এস এল বলা হয়। এই এত ছেলের কাজ হলো আপনার ডাটা যেন আপনি ছাড়া তৃতীয় কোনো পক্ষ আপলোড করতে না পারে সেদিকটা নিশ্চিত করা। অর্থাৎ আপনার মালিকানায় অন্য কোন পক্ষ যেন হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেদিকটা নিশ্চিত করে এই এস এস এল।

 

এই কাজগুলো সম্পর্কে একটু ধারনা নিয়ে আপনি তৈরি করে ফেলতে পারেন নিজস্ব ওয়েব সাইট অথবা ই-কমার্স সাইট। এবং এটিকে যদি প্রফেশন হিসেবে নিয়ে আপনি ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে সেটাও করতে পারেন। বর্তমানে এই ওয়েবসাইটের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *